
| শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ | প্রিন্ট | 47 বার পঠিত

অর্থবিজ প্রতিবেদক :
সংকটে থাকা ন্যাশনাল ব্যাংককে আরও এক হাজার কোটি টাকার বিশেষ ধার দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। চলতি মাসের প্রথম সপ্তাহে ‘লেন্ডার অব দ্য লাস্ট রিসোর্ট’ সুবিধার আওতায় ডিমান্ড প্রমিসরি নোটের বিপরীতে এ অর্থ ছাড় করা হয়। সুদের হার নির্ধারণ করা হয়েছে ১১ দশমিক ৫০ শতাংশ। এর আগে একই প্রক্রিয়ায় ব্যাংকটি কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে ছয় হাজার কোটি টাকা সহায়তা পেয়েছিল।
সংশ্লিষ্টরা জানান, দীর্ঘদিনের অনিয়ম ও জালিয়াতির প্রভাবে ব্যাংকটি তারল্য সংকটে পড়ে। আমানত ফেরত দিতে না পারায় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সহায়তার ওপর নির্ভরশীল হয়ে পড়ে প্রতিষ্ঠানটি।
২০২৪ সালের আগস্টে সরকার পরিবর্তনের পর বাংলাদেশ ব্যাংক ব্যাংকটিতে ছয় সদস্যের নতুন পরিচালনা পর্ষদ গঠন করে। পর্ষদের নেতৃত্বে আছেন ব্যবসায়ী আবদুল আউয়াল মিন্টু। বর্তমানে তিনি ও পরিচালক জাকারিয়া তাহের বিএনপি নেতৃত্বাধীন মন্ত্রিসভার সদস্য।
২০০৯ সাল থেকে ব্যাংকটির নিয়ন্ত্রণে ছিল জয়নুল হক সিকদার পরিবার। সে সময় এক পরিবার থেকে একাধিক পরিচালক নিয়োগ, বেনামি ঋণ বিতরণ, কমিশনের বিপরীতে ঋণ অনুমোদন ও নিয়োগুবাণিজ্যসহ নানা অভিযোগ ওঠে। ২০২১ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি জয়নুল হক সিকদারের মৃত্যুর পর নিয়ন্ত্রণ নিয়ে পারিবারিক বিরোধ প্রকাশ্যে আসে। পরে ২০২৪ সালের মে মাসে ব্যাংকটির নিয়ন্ত্রণ নেয় এস আলম গ্রুপ।
গত সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ব্যাংকটির মোট ঋণ ছিল ৪২ হাজার ৪৬১ কোটি টাকা। এর মধ্যে ৩২ হাজার ৪০ কোটি টাকা খেলাপি, যা মোট ঋণের ৭৫ দশমিক ৪৬ শতাংশ। একই সময়ে প্রভিশন ঘাটতি দাঁড়ায় ২৪ হাজার ২৮২ কোটি টাকা।
এদিকে, জালিয়াতির প্রভাবে সংকটে পড়া প্রিমিয়ার ব্যাংককেও পাঁচ হাজার কোটি টাকার বিশেষ সহায়তা দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এর মধ্যে চার হাজার কোটি টাকা বন্ড আকারে এবং এক হাজার কোটি টাকা নগদ সহায়তা দেওয়া হয়েছে। করপোরেট আমানত হঠাৎ তুলে নেওয়া ও আন্তঃব্যাংক বাজার থেকে অর্থসংস্থান ব্যাহত হওয়ায় এ সহায়তা দেওয়া

Posted ৩:২৯ অপরাহ্ণ | শনিবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
Arthobiz | zaman zaman


