বৃহস্পতিবার ২৩শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৮ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৯ দশমিক ১৩ শতাংশ

  |   রবিবার, ০৮ মার্চ ২০২৬   |   প্রিন্ট   |   29 বার পঠিত

মূল্যস্ফীতি বেড়ে ৯ দশমিক ১৩ শতাংশ

অর্থবিজ প্রতিবেদক :
দেশে মূল্যস্ফীতি বেড়ে আবারও ৯ শতাংশের ঘরে উঠেছে । ফেব্রুয়ারি মাসে সার্বিক মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক ১৩ শতাংশে। এর ফলে নয় মাস পর মূল্যস্ফীতি আবারও ৯ শতাংশ অতিক্রম করল। এর আগে গত বছরের মে মাসে মূল্যস্ফীতি ছিল ৯ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ।
একই সঙ্গে গত ফেব্রুয়ারি মাসের মূল্যস্ফীতি গত ১০ মাসের মধ্যে সর্বোচ্চ। এর আগে সর্বশেষ গত বছরের এপ্রিল মাসে মূল্যস্ফীতি ছিল ৯ দশমিক ১৭ শতাংশ। ওই সময়ের পর এ বছরের ফেব্রুয়ারির মূল্যস্ফীতিই সবচেয়ে বেশি।
রোববার (৮ মার্চ) বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) ফেব্রুয়ারি মাসের মূল্যস্ফীতির হালনাগাদ তথ্য প্রকাশ করেছে। সংস্থাটির তথ্য অনুযায়ী, টানা চার মাস ধরে দেশে মূল্যস্ফীতি বাড়ছে। এতে মধ্যবিত্ত ও সীমিত আয়ের মানুষের ওপর জীবনযাত্রার ব্যয়চাপ আরও বেড়েছে।
বিবিএসের হিসাব অনুযায়ী, গত ফেব্রুয়ারি মাসে খাদ্য মূল্যস্ফীতি হয়েছে ৯ দশমিক ৩০ শতাংশ। আর খাদ্যবহির্ভূত মূল্যস্ফীতি দাঁড়িয়েছে ৯ দশমিক শূন্য ১ শতাংশে। খাদ্য মূল্যস্ফীতি টানা পাঁচ মাস ধরে বাড়তে থাকায় নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের বাজারে চাপ অব্যাহত রয়েছে। গত তিন বছর ধরেই দেশে উচ্চ মূল্যস্ফীতির প্রবণতা দেখা যাচ্ছে। ২০২৫ সালে গড় মূল্যস্ফীতি ছিল ৮ দশমিক ৭৭ শতাংশ।
অর্থনীতিবিদদের মতে, মূল্যস্ফীতি অনেকটা অদৃশ্য করের মতো কাজ করে। কোনো পরিবারের মাসিক আয় যদি পুরোটা সংসার চালাতে ব্যয় হয়ে যায়, তবে পণ্যের দাম বাড়লে সেই পরিবারকে অতিরিক্ত চাপের মুখে পড়তে হয়। আয় একই থাকলেও ব্যয় বাড়ে। ফলে অনেক সময় ধারদেনা করতে হয় বা খাবার, পোশাক, যাতায়াতসহ বিভিন্ন খাতে খরচ কমাতে হয়।
বিশেষ করে মূল্যস্ফীতির তুলনায় মজুরি বা আয় বৃদ্ধির হার কম হলে সাধারণ মানুষের প্রকৃত আয় কমে যায় এবং জীবনযাত্রার কষ্ট বাড়ে। বিবিএসের তথ্য অনুযায়ী, গত ফেব্রুয়ারি মাসে জাতীয় মজুরি বৃদ্ধির হার ছিল ৮ দশমিক শূন্য ৬ শতাংশ। অর্থাৎ মজুরি বৃদ্ধির হার মূল্যস্ফীতির চেয়ে কম থাকায় মানুষের প্রকৃত আয় কমেছে।
অন্যদিকে মূল্যস্ফীতি কমে যাওয়ার অর্থ এই নয় যে বাজারে পণ্যের দাম কমেছে। বরং বোঝায়, আগের মাসের তুলনায় দাম বাড়ার গতি কিছুটা কমেছে।
উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, ২০২৫ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে কোনো ব্যক্তি যদি ১০০ টাকায় নির্দিষ্ট পণ্য ও সেবা কিনতে পারেন, তবে এক বছর পর ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে একই পণ্য ও সেবা কিনতে তার খরচ হবে প্রায় ১০৯ টাকা ১৩ পয়সা। অর্থাৎ প্রতি ১০০ টাকায় অতিরিক্ত ব্যয় হয়েছে ৯ টাকা ১৩ পয়সা।

Facebook Comments Box
advertisement

Posted ৮:০৬ অপরাহ্ণ | রবিবার, ০৮ মার্চ ২০২৬

Arthobiz |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

advertisement
advertisement
advertisement
সম্পাদক : অহিদুজ্জামান মিঞা
সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: খান ম্যানশন, ৮-ই, ২৮/এ-৫, টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা-১০০০।
ইমেইল: arthobiz61@gmail.com
যোগাযোগ: 01670045191