
| সোমবার, ২৫ মার্চ ২০২৪ | প্রিন্ট | 225 বার পঠিত

অর্থবিজ প্রতিবেদক :
পপুলার লাইফের সাবেক চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ হত্যা মামলা ফের আলোচনার ঝড় তুলেছে। এই মামলার প্রধান আসামী তার স্ত্রী জান্নাতুল ফেরদৌসকে পলাতক দেখিয়ে পল্টন থানার তদন্ত কর্মকর্তা মো. আব্দুল হক গত ২৮ ডিসেম্বর আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করেন। আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করার প্রায় তিন মাস পর খবরটি আলোচনায় এসেছে। একটি জাতীয় দৈনিক প্রত্রিকায় পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির অনিয়ম সম্পর্কে একটি প্রতিবেদন প্রকাশের পরই কোম্পানির সাবেক চেয়ারম্যান হাসান আহমেদের দ্বিতীয় স্ত্রী অভিযুক্ত আসামী জান্নাতুল ফেরদৌস পলাতক শিরোনামে একটি খবর প্রকাশ হয় মিডিয়ায়। এ নিয়ে বীমা সেক্টরে আলোচনা সমালোচনার ঝড় বয়ে যাচ্ছে। আসল ঘটনাটি জানতে অনেকে আগ্রহ প্রকাশ করছেন।
জানা গেছে, পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির সাবেক চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ ২০২২ সালের ২৪ জানুয়ারি রাজধানীর পল্টনের বক্স কালভার্ট রোডের নিজ বাসায় ইন্তেকাল করেন। তিনি দীর্ঘদিন অসুস্থ ছিলেন। ২০২০ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর হাসান আহমেদের ব্রেণ স্ট্রোক করলে তাকে প্রথমে ইসলামী ব্যাংক সেন্ট্রাল হাসপাতালে এবং পরে স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। হাসপাতালে তিনি প্রায় এক মাস চিকিৎসাধীন থাকার পর তার দ্বিতীয় স্ত্রী জান্নাতুল ফেরদৌস তাকে ২০২০ সালের ১২ অক্টোবর তাদের পল্টনের কালভার্ট রোডের নিজ বাসায় নিয়ে আসেন। বসায় রেখে তাকে চিকিৎসা করানো হতো। হাসান আহমেদ দ্বিতীয় বিয়ে করার পর স্ত্রীকে নিয়ে পল্টনের এই বাসায় বসবাস করতেন। এ অবস্থায় হাসান আহমেদ অসুস্থ হন এবং বাসায় থাকা অবস্থায় ২০২২ সালের ২৪ জানুয়ারি মারা যান। তার মারা যাবার প্রায় দুই বছর পর হাসান আহমেদের ছোট ভাই কবির আহমেদ থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলার বাদি কবির আহমেদ তার ভাই’র দ্বিতীয় স্ত্রী জান্নাতুল ফেরদৌসের বিরুদ্ধে হাসান আহমেদের সম্পত্তি আত্মসাতের চেষ্টায় পরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগে করেন। মামলার ১নং আসামী করা হয় হাসান আহমেদের দ্বিতীয় স্ত্রী জান্নাতুল ফেরদৌসকে। এই মামলায় হাসান আহমেদের শাশুড়ি, শ্যালক ও শ্যালিকাসহ মোট আটজনকে আসামী করা হয়।
মামলার তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়, হাসান আহমেদ ২০২২ সালে ২৪ জানুয়ারি মারা যান। হাসান আহমেদ ২০২০ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর স্ট্রোক করেন। পরে তাকে স্কয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। কিন্তু তার স্ত্রী পরিবারের ও পপুলার লাইফের কর্মকর্তাদের পরামর্শ না শুনে পল্টনের কালভার্ট রোডের তার নিজ বাসায় তাকে নিয়ে আসেন। এ সময়ে হাসান আহমেদের মাকে তার ছেলের সাথে দেখা করতে দেয়া হয়নি বলেও অভিযোগ করা হয়।
মামলায় অভিযোগ করা হয়, হাসান আহমেদ দেশের একজন বিশিষ্ট ব্যবসায়ী। তিনি পপুলার লাইফ ইন্স্যুরেন্সের চেয়ারম্যান। হাসান আহমেদ ফেরদৌসিকে বিয়ের করার এক মাস পর থেকে পল্টনের বাসায় থাকতেন। এই বাসাতেই তিনি স্ট্রোক করেন।

Posted ২:১৫ অপরাহ্ণ | সোমবার, ২৫ মার্চ ২০২৪
Arthobiz | zaman zaman


