বৃহস্পতিবার ২৩শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৮ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

ফারইস্ট লাইফের সাবেক চেয়ারম্যান নজরুল ও এমডি হেমায়েত উল্লাহসহ ১৪ পরিচালকের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

  |   সোমবার, ১৮ আগস্ট ২০২৫   |   প্রিন্ট   |   148 বার পঠিত

ফারইস্ট লাইফের সাবেক চেয়ারম্যান নজরুল ও এমডি হেমায়েত উল্লাহসহ ১৪ পরিচালকের বিরুদ্ধে দুদকের মামলা

অর্থবিজ প্রতিবেদক :
দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) ৪৫ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ফারইস্ট ইসলামী লাইফ ইন্স্যুরেন্স কোম্পানির বিরুদ্ধে আরও একটি মামলা করেছে । মামলায় কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের ১৪ জন পরিচালককে আসামি করা হয়েছে। দুদকের উপপরিচালক সৈয়দ আতাউল কবির গত ৩১ জুলাই এ মামলা দায়ের করেন।
মামলার এজাহারে বলা হয়, ২০১৩ সালের ৩ মার্চ অনুষ্ঠিত ফারইস্ট ইসলামী লাইফের ১৭৫তম বোর্ড সভায় রাজধানীর তোপখানা রোডের ৩৩.৫৬ শতাংশ জমি ও একটি ভবন ২২৯ কোটি ১৩ লাখ টাকায় কেনার সিদ্ধান্ত হয়। এ সিদ্ধান্তে অনুমোদন দেন কোম্পানির ১৪ পরিচালক ও তৎকালীন মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা। দুদকের অভিযোগ, জমি ও ভবনের মূল্য অস্বাভাবিক বেশি দেখিয়ে এই অর্থ আত্মসাৎ করা হয়।
মামলার আসামিরা হলেন, ফারইস্ট ইসলামী লাইফের সাবেক চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম, আমানত শাহ গ্রুপের চেয়ারম্যান মো. হেলাল মিয়া, নর্দার্ন জেনারেল ইন্স্যুরেন্সের পরিচালক শাহরিয়ার খালেদ, মোশারফ গ্রুপের পরিচালক নাজনীন হোসেন, মেডিনোভা মেডিকেল সার্ভিসের পরিচালক ডা. মনোয়ার হোসেন, গেটকো গ্রুপের চেয়ারম্যান কে এম খালেদ, প্রাইম এশিয়া ইউনিভার্সিটির ট্রাস্টি এম এ খালেক, টারটেক্স ইন্ডাস্ট্রিজের চেয়ারম্যান ড. ইফফাত জাহান ও ফারইস্ট ইসলামী লাইফের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক হেমায়েত উল্লাহ।
ফারইস্ট ইসলামী লাইফ থেকে অর্থ আত্মসাতের ঘটনায় এর আগে তিনটি মামলা করে দুদক। এর মধ্যে এক মামলায় ৭০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ৯ জনকে আসামি করা হয়। আরেক মামলায় ১১৫ কোটি টাকা আত্মসাত ও পাচারের অভিযোগে আসামি করা হয় ৮ জনকে, যাদের মধ্যে ছিলেন কোম্পানির সাবেক চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম ও তার স্ত্রী।
তদন্তে দেখা গেছে, জমি কেনার নামে প্রদত্ত অর্থের একটি বড় অংশ পরিচালক নজরুল ইসলাম, এম এ খালেক ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের কাছে চলে যায়। বিভিন্ন অ্যাকাউন্টে টাকা স্থানান্তর, ভুয়া এফডিআর খোলা ও সাপ্লায়ার পেমেন্ট দেখিয়ে এসব টাকা আত্মসাৎ করা হয়।
বীমা আইন ২০১০-এর ১৩৬(২) ধারা অনুযায়ী, কোনো বীমা কোম্পানির অর্থ বা সম্পত্তি অবৈধভাবে আত্মসাৎ হলে পরিচালনা পর্ষদের সদস্যরাও দায়ী হবেন, যদি না তাঁরা প্রমাণ করতে পারেন যে অর্থ রক্ষায় তাঁরা যথাযথ ব্যবস্থা নিয়েছিলেন। আইনটির ১৩৫ ধারায় বলা আছে, এ ধরনের অপরাধে সর্বোচ্চ দুই বছরের কারাদণ্ড এবং ১৫ লাখ টাকা পর্যন্ত অর্থদণ্ড হতে পারে।

 

Facebook Comments Box
advertisement

Posted ৭:৫৬ অপরাহ্ণ | সোমবার, ১৮ আগস্ট ২০২৫

Arthobiz |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

advertisement
advertisement
advertisement
সম্পাদক : অহিদুজ্জামান মিঞা
সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: খান ম্যানশন, ৮-ই, ২৮/এ-৫, টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা-১০০০।
ইমেইল: arthobiz61@gmail.com
যোগাযোগ: 01670045191