বুধবার ২২শে জুলাই, ২০২৬ খ্রিস্টাব্দ | ৭ই শ্রাবণ, ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ

জাপার সমাবেশে হট্টগোল চেয়ার ভাংচুর কর্মীসভা পন্ড

  |   শনিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৫   |   প্রিন্ট   |   67 বার পঠিত

জাপার সমাবেশে হট্টগোল চেয়ার ভাংচুর কর্মীসভা পন্ড

অর্থবিজ প্রতিবেদক :
রাজধানীর কাকরাইলে জাতীয় পার্টির (জাপা) কর্মী সমাবশে দফায় দফায় ককটেল বিস্ফোরণ এবং হামলা ও পাল্টা হামলায় সমাবেশটি পন্ড হয়ে গেছে। । সমাবেশ স্থলটি এক পযার্য়ে রণক্ষেত্রে পরিণত হয়। দলীয় কোন্দলের জেরে এমন ঘটনা ঘটে। আজ শনিবার (১১ অক্টোবর) বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে এ সংঘর্ষ শুরু হয়।
সংর্ঘষ চলাকালে দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় হামলা হয়। তারা একে অপরের দিকে চেয়ার ছুড়ে মারতে থাকে। এ সময় বেশ কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে জাপার জরুরি কর্মী সমাবেশটি পণ্ড হয়ে যায়।
সংঘর্ষ শুরু হয় বিকেল সাড়ে তিনটার দিকে। মুহূর্তেই পুরো এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি সামাল দেয়ার চেষ্টা করে। তারা উভয় পক্ষকে ছত্রভঙ্গ করতে লাঠিচার্জু করে। পুলিশ কাঁদানে গ্যাসের শেল (টিয়ার শেল) নিক্ষেপ করে। কাকরাইল মোড় থেকে শান্তিনগর ও বিজয়নগর পর্যন্ত এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে। ধোঁয়ার কুণ্ডলী তৈরি হয়। নেতাকর্মীরা দিকবিদিক ছুটতে শুরু করেন। নারী কর্মীরা আতঙ্কে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে ছোটেন। সংঘর্ষে বেশ কয়েকজন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।
জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদের এ সভা ডেকেছিলেন। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেয়া নিয়ে দলে দ্বন্দ্ব চলছিল। এ দ্বন্দ্ব ক্রমশ বাড়ছিল। দলীয় প্রতীক ‘লাঙল’ নিয়েও জটিলতা সৃষ্টি হয়েছিল। অভিযোগ ওঠে, ক্ষমতাসীন একটি মহল এ প্রতীকের ওপর প্রভাব বিস্তার করতে চাইছে। এসব বিষয়ে অবস্থান স্পষ্ট করতেই জি এম কাদের এ সমাবেশ ডাকেন। এ সমাবেশ থেকে নির্বাচনের বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত ঘোষণা করার কথা ছিল। দলের ভেতরের বিভাজন নিয়েও আলোচনা হওয়ার কথা ছিল।
বিকেল তিনটার পর থেকেই নেতাকর্মীরা মিছিল নিয়ে আসতে থাকেন। কাকরাইল, শান্তিনগর ও নাইটিঙ্গেল এলাকা মিছিলে মুখর ছিল। একটি ট্রাকের ওপর অস্থায়ী মঞ্চ তৈরি করা হয়। মঞ্চে প্রথমে প্রেসিডিয়াম সদস্য শামীম হায়দার পাটোয়ারী বক্তব্য দেন। এরপর চেয়ারম্যান জি এম কাদের মঞ্চে ওঠেন।
জি এম কাদেরের আগমনে স্লোগানে স্লোগানে মুখর হয় এলাকা। নেতাকর্মীরা স্লোগান দেন, “লাঙল থাকবে, জাপা বাঁচবে”, “কাদের ভাই এগিয়ে চলো”। কিন্তু বক্তৃতা শুরুর ঠিক আগেই মিছিলের একাংশ পুলিশের ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করে। এতে পরিস্থিতি চরম উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে টিয়ার শেল ও সাউন্ড গ্রেনেড ছুড়তে শুরু করে।
ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) রমনা বিভাগের এক কর্মকর্তা বলেন, জাপা নেতারা অনুমতি ছাড়াই জনসমাগম বাড়াচ্ছিলেন। তারা সড়কও অবরোধ করে। এ কারণে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে টিয়ার শেল ব্যবহার করা হয়। কিছু উচ্ছৃঙ্খল কর্মী পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছোড়ে। এতে কয়েকজন পুলিশ সদস্য আহত হন।

Facebook Comments Box
advertisement

Posted ৫:৫৫ অপরাহ্ণ | শনিবার, ১১ অক্টোবর ২০২৫

Arthobiz |

এ বিভাগের সর্বাধিক পঠিত

advertisement
advertisement
advertisement
সম্পাদক : অহিদুজ্জামান মিঞা
সম্পাদকীয় ও বাণিজ্যিক কার্যালয়: খান ম্যানশন, ৮-ই, ২৮/এ-৫, টয়েনবি সার্কুলার রোড, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা, ঢাকা-১০০০।
ইমেইল: arthobiz61@gmail.com
যোগাযোগ: 01670045191