
| সোমবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৫ | প্রিন্ট | 71 বার পঠিত

অর্থবিজ প্রতিবেদক :
বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বাজুস) সভাপতি পদে আবারও বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন ডায়মন্ড অ্যান্ড ডিভাসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এনামুল হক খান। সংগঠনটির সিনিয়র সহসভাপতির পদে নির্বাচিত হয়েছেন সানন্দা জুয়েলার্সের ব্যবস্থাপনা পরিচালক রণজিৎ ঘোষ।
রাজধানীর মগবাজারে বাজুসের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে আজ সোমবার আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ২০২৫-২৬ এবং ২০২৬-২৭ মেয়াদের জন্য নতুন পরিচালনা কমিটির ফলাফল ঘোষণা করেন নির্বাচন বোর্ডের চেয়ারম্যান নাসরিন ফাতেমা আউয়াল। প্রার্থীদের কোন প্রতিদ্বন্দি না থাকায় বাণিজ্য সংগঠন বিধিমালা-২০২৫ অনুসারে ৩৫ জন প্রার্থীর সকলকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়।
নতুন কমিটিতে সভাপতি ও সিনিয়র সহসভাপতি ছাড়াও আরও রয়েছেন তিনজন সহ-সভাপতি, একজন কোষাধ্যক্ষ এবং ২৯ জন পরিচালক। সংগঠনের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী এবার প্রথমবারের মতো সাধারণ সম্পাদক পদটি বিলুপ্ত করা হয়েছে। ফলে সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব এখন থেকে সিনিয়র সহসভাপতি পালন করবেন।
সহ-সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন আপন ডায়মন্ড হাউজের আজাদ আহমেদ, জড়োয়া হাউজ (প্রা.) লিমিটেডের অভি রায় এবং জেসিএক্স গোল্ড অ্যান্ড ডায়মন্ডের ইকবাল হোসেন চৌধুরী। কোষাধ্যক্ষ নির্বাচিত হয়েছেন নিউ ফেন্সী জুয়েলার্সের অমিত ঘোষ।
পরিচালক পদে নির্বাচিতরা হলেন-যথাক্রমে মো. মিলন মিয়া, পবন কুমার আগরওয়ালা, তানভীর রহমান, মো. লিটন হাওলাদার, বাবুল দত্ত, গণেশ দেবনাথ, আশিস কুমার মণ্ডল, মিনাজুর রহমান, বিকাশ ঘোষ, সুমন চন্দ্র দে, মোস্তাফা কামাল, ধনঞ্জয় সাহা (বিপুল), শ্রীবাস রায়, মো. আলী হোসেন, মো. রুবেল, মো. নয়ন চৌধুরী, মো. ছালাম, ফাহাদ কামাল লিংকন, গৌতম ঘোষ, মোহাম্মদ রবিউল ইসলাম, মো. তারেকুল ইসলাম চৌধুরী, আবু নাসের মোহাম্মদ আবদুল্লাহ, মো. রফিকুল ইসলাম, সৌমেন সাহা, আককাছ আলী, মোহাম্মদ মোরশেদ আলম, শাওন আহাম্মদ চৌধুরী, মো. নাজমুল হুদা লতিফ ও পলাশ কুমার সাহা।
নির্বাচনোত্তর প্রতিক্রিয়ায় এনামুল হক বলেন, ‘আমাদের দেশের সোনা আমদানির নিয়মগুলো অনেক জটিল। এই প্রক্রিয়া সহজ না করলে আমদানিকৃত সোনার দাম এত বেড়ে যায় যে বাজারে তা প্রতিযোগিতামূলক থাকে না। সোনা ব্যবসাকে বৈধ কাঠামোর মধ্যে রাখতে আমদানি নীতিমালা সহজীকরণের উদ্যোগ নিতে হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের বুঝতে হবে—যারা বৈধভাবে ব্যবসা করছে, তারা কোনোভাবেই চোরাচালানে যুক্ত নয়। সোনা ব্যবসায়ীরা কখনো চোরাকারবারি হতে পারে না, বরং তারা সরকারের রাজস্ব বাড়াতে ভূমিকা রাখে। যত দিন না আমদানি প্রক্রিয়া সহজ হচ্ছে, তত দিন ব্যাগেজ রুলের আওতায় সোনা আনার পুরনো ব্যবস্থা চালুর বিষয়ে আমরা উদ্যোগ নেব।’

Posted ৭:০৮ অপরাহ্ণ | সোমবার, ০৩ নভেম্বর ২০২৫
Arthobiz | zaman zaman


